দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ | ইতিহাসের ভয়াবহতম অধ্যায় | আদ্যোপান্ত | World War II | Adyopanto



বিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে প্রথম বারের মত বিশ্বযুদ্ধের স্বাক্ষী হয়েছিল মানব সভ্যতা। ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী সেই যুদ্ধকে ঐ সময়ের প্রভাবশালীরা “সব সংঘাত বন্ধের যুদ্ধ”ও আখ্যা দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে এমন রক্তক্ষয়ী ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে লীগ অব নেশন্স নামক একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনও গড়ে তোলা হয়েছিল। এই সংগঠনটিকে বর্তমান জাতিসংঘের পূর্বসূরী বলা যেতে পারে।

তবে, ইতিহাসবিদদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঐ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিপর্বই পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধের বীজ বপন করে গিয়েছিল। যার ধারাবাহিকতায় মাত্র দুই দশকের মধ্যেই পুরো পৃথিবীজুড়ে আবারো বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোল বেজে উঠেছিল। সংগত কারণেই এই যুদ্ধটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত। এই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধটি ছিল মানব ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধে পৃথিবীর কমপক্ষে ত্রিশটি দেশের প্রায় দশ কোটি মানুষ সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। আর যুদ্ধ শেষে সব মিলিয়ে প্রানহানির সংখ্যা ছিল সাড়ে আট কোটির বেশী। এর মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশী ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।

আর এই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাতসীদের দ্বারা নির্বিচারে ইহুদী নিধনের কার্যক্রমটি মানব ইতিহাসের অন্যতম বিষাদপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। হলোকাস্ট শীর্ষক এই জেনোসাইডে কমপক্ষে ৬০ লাখ ইহুদী ধর্মাবলম্বী মানুষকে হত্যা করেছিল নাৎসি বাহিনী।

আজ আপনাদের এই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।

📌 সাবস্ক্রাইব করুন :
নতুন ভিডিওর নোটিফিকেশন পেতে অবশ্যই “🔔” বেল আইকনে প্রেস করুন

💻 যুক্ত হোন:
ফেইসবুক:

💻 আমাদের ওয়েবসাইট:

📌 For Copyright Related Issues, please contact us:
adyopanto@gmail.com

47 comments

  1. আসসালামু আলাইকুম মাশাল্লাহ সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আন্তরিক মোবারক বাদ জানাই। হিটলারের একটি কথাই সত্য ইহুদীরা কোনো ধর্ম কেই নিজ মনে প্রানে কর্ম ও শান্তিতে বসবাশ করতে দেবে না। আজ তারিই প্রতিহিংসা অস্র বেচা কেনার আদিপত্য বিস্তার
    অবৈধ শক্তি কার। দাবিয়ে রাখা মাথা উঁচু করে দারাতে না পারে। গাদ্দাফি সাদ্দাম ইয়াসিন আরাফাত আরও অনেকে

  2. নরমেন্ডীতে এক মিলিয়ন আমেরিকান এবং কানাডিয়ান তরুণ বালকরা মৃত্যু বরণ করে যা ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়া হইছে, এদের বেশীর ভাগের পর্যাপ্ত সামরিক ট্রেইনিং ছিল না। অনলাইনে ডকুমেন্টারি আছে দেখে নিবেন। জার্মানির একজন যোদ্ধাই এক দিনে MG-42 এক হাজার র উপর আমেরিকান কানাডিয়ান কে হত্যা করছিল এরকম অনেক। আপনি আমেরকা ইংল্যান্ড ইহুদী দের পক্ষ নিয়ে ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইতিহাস বলতেছেন। স্ক্রিপ্ট তা যে ইহুদীদের স্পনসরশিপ এ বানানো হইছে বুঝাই যাচ্ছে।

  3. এক তরফা আপনি জার্মানির বিরুদ্ধে বল্লেন, বিমান এবং মানুষ সংখ্যা গুলা আপনি কথা থেকে কাল্কেট করলেন? যুদ্ধে যারা জয় লাভ করে তারা যুদ্ধের ইতিহাস লিখে। রয়েল এয়ার ফরস বার্লিন শহর হামলার পর হিটলার ফ্লেক টাওয়ার নির্মাণ করে তার পর থেকে কোন রয়েল এয়ার ফরস বার্লিন শহরে হামলা করার সাহস পায়নি। আপনার ইতিহাস মনে হচ্ছে ইহুদিরদের পেইড।

  4. এখানে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদিদের জার্মানের উপর চালানো দূর্নীতি ও তাদের কূটকৌশল সম্পর্কে কোন তথ্য দেওয়াই হই নাই

  5. শালা তুই কি গাজা খাইসোস ভিডিও বানানোর সময় কারণ এক লক্ষ দশ হাজার মানুষ হত্যা করেছিল এর মধ্যে 90 হাজার ইহুদি আর বাকিগুলো সাধারণ অন্য ধর্মের লোক ছিল আর তুই বললি 60 লক্ষ

  6. কথিত আছে যে,পারমানবিক বোমা তৈরি করেছিল জার্মানি। রাইন নদীর তলদেশে পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে তারা এই বোমা ২ টি তৈরি করে এবং পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ৪০ জন জার্মান বিজ্ঞানী এই গবেষণায় নিয়োজিত ছিল।ঠিক সেই মুহুর্তে আমেরিকান সিআই এ তা টের পায়।তারপর হঠাৎ আমেরিকান নৌবাহিনী এক ঝটিকা আক্রামন চালিয়ে পারমানবিক বোমাসহ সকল বিজ্ঞানী, প্লান্ট কিডন্যাপ করে আমেরিকায় নিয়ে যায়।উল্লেখযোগ্য যে এই সব বিজ্ঞানীদের অধিকাংশই ছিল ইহুদি, যারা হিটলারের তথ্য ও পরিকল্পনা ফাঁস করে দিয়েছিল।আমেরিকা পরে নিজের নামে পারমানবিক বোমা আবিষ্কার দাবী করে এবং জাপানের হিরোশিমা ও নাগশাকি শহরে নিক্ষেপ করে,যার ধ্বংসলীলা বিশ্ববাসী দেখেছে।

  7. হিটলারের বিরুদ্ধে যারা ছিলেন তাঁরা কি খুব ভালো ছিলেন? আসলে জয়ী পক্ষ চিরদিন অপর পক্ষ থেকে ভালো থেকে to dictate করে থাকে।

  8. হিটলারকে কুখ্যাত না বলে বিখ্যাত বলেন। তিনি একজন মাল ছিলেন। কাড়াক চিজ

  9. হিটলারের ইহুদীবিদ্বেষের বদলে মুসলিমবিদ্বেষ থাকিলে পৃথিবীর কিছু উপকার হইতো।

  10. ভিডিও দেখে অনেক অজানা ইতিহাস জানতে পারলাম, ধন্যবাদ ভাইয়া💜

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *